Header Ads

Header ADS

ইসলামি কবিতার গুরুত্ব


ইসলামি কবিতার গুরুত্ব
কবিতা আল্লাহপ্রদত্ব একটি বিশেষ নেয়ামত, কবিতার প্রতি ছিল নবীজীর গভীর মুহাব্বত ।

 কবিতা পাঠ আর শ্রবণ করা প্রিয় নবীর সুন্নত, তাই কবিতা পাঠ আর শ্রবণ করা একটি বড় এবাদত।

কবিতায় রয়েছে অনেক অনেক হেকমত, কবিতা আল্লাহর একটি বিশেষ রহমত । 

কবিতা চর্চা , ইসলামী জিহাদের সমতুল্য, কােরআন হাদীস ভিত্তিক কবিতা যিকীরের তুল্য।

 কবিতা যদি হয় কোরআন - হাদীসের বর্ননা যুক্ত, সেই কবিতা অবশ্যই দাওয়াত ও তাবলীগের অর্ন্তভূক্ত । 

কবিতা ইসলামী আন্দোলনের একটি বড় শক্তি, কবিতা মুসলিম জাতিকে এনে দিতে পারে মুক্তি ।

 কবিতা দাওয়াত ও জিহাদের শক্তিশালী মাধ্যম, কবিতা মুমিনের অন্তরে সৃষ্টিকরে কর্মের উদ্যম ।

 কবিতা মুজাহিদ বাহিনীর গতিকে করতে পারে দূর্বার, ইসলামী কবিতা খােদাদ্রোহীদের গতিকে করতে পারে ছারখার।

 কবিতা ইসলামী জিহাদের শক্তিশালী হাতিয়ার, বাতিলের বিরুদ্ধে কবিতা এক বজ কঠিন হুংকার।

প্রিয় নবী স্বয়ং পাঠ করেছেন কবিতা এবং শুনেছেন বহুবার, কবিতার গুঞ্জরণে মুখরিত ছিল সদা নবীজীর দরবার । 

মসজিদে নববীতে পৃথক মিম্বার তৈরী করেছেন নবীজী কবিতার জন্য, কবি হাস্সান ( রা . ) তাতে বসে সদা কবিতা পাঠে হতেন ধন্য ।

 খােলাফায়ে রাশেদিন , আবুবকর , ওমর , ওসমান আর আলী ( রা . ) উম্মুল মুমিনিন , মা আয়েশা আর ফাতেমা নবীজীর দুলালী অগনিত সাহাবী আর হুজুরের ( সা . ) ছয়জন ফুফু, সবাই কবিতা লিখেছেন , পড়েছেন , শুনেছেন , সন্দেহ নাই । 

সাহাবায়ে কেরাম , তাবেঈন , তাবে তাবেঈন আইম্মায়ে মুজতাহেদীন কবিতা রচনা , পাঠ আর শ্রবন করেছেন সলফে সালেহীন বুজুর্গানেদ্বীন ।

 তাই ইসলামী কবিতা চর্চা করা , পাঠ করা আর শ্রবণ করা,অনেক বড় সওয়াবের কাজ, একথা অস্বীকার করতে পারে কারা ।

 তবে যে সব কবিতা কোরআন হাদীস বিরােধী, খােদাদ্রোহী , অশ্লিল অশ্রাব্য ।
 অবশ্যই বর্জনীয় পরিত্যাজ্য কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ সেসব কাব্য । 

যারা রচনা করে ইসলাম বিরােধী কাব্য , তারা শয়তানের অনুসারী, ওসব নিষিদ্ধ কবিতা বর্জন করা প্রত্যেক মুমিনের জন্যই জরুরী ।

অনৈসলামিক কাব্য চর্চা করা, রক্ত আর পূজ দ্বারা জঠর ফুর্তীর তুল্য, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের দরবারে সেসব কবিতার নেই কোন মূল্য । 

ইসলাম বিরােধী কল্পনাপ্রসূত দুর্বোধ্য কবিতা আর গান হাদীসের বর্ননা মতে তাহলাে শয়তানের কোরআন । 

কেউ যদি পাঠ করে ইসলামী কবিতা দাওয়াতের নিয়তে, সওয়াবের জন্য, হাদীস মতে সে প্রতিটি শব্দের বিনিময়ে প্রাপ্ত হবে এক বছরের এবাদতের পূণ্য । 

কেউ যদি ইসলামী কবিতা পাঠ অথবা শ্রবণ করতে প্রকাশ করে অনিহা, সে যেন সুন্নতের বিরুদ্ধে প্রকাশ করলাে ঘৃনা । অন্তরে তার লুকায়িত ছিল যাহা ।

 বর্তমান সময়ে হেকমত পূর্ণ ইসলামী কবিতা দাওয়াত ও জিহাদের অপরিহার্য হাতিয়ার, তাই ইসলামী কবিতা রচনা কর , পাঠ কর অথবা শ্রবণ কর , এগিয়ে চলাে দূর্বার ।

 কোরআন হাদীসে রয়েছে বর্ণিত কাবিতার উপরােক্ত বৈশিষ্ট্য, তাইতাে কাবিতা এতাে শ্রুতিমধুর আর সুমিষ্ট ।

লেখকঃ কবি,সাহিত্যিক,শিক্ষা গবেষক মাওলানা ফজলুল করীম যশোরী

molotovcoketail থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.